মাওলানা তারিক জামীল বলেন, ইংরেজদের শাসনামলে ভারতের উত্তরপ্রদেশের সাহারানপুর জেলায় মুসলমানরা হিন্দুদের কিছু জায়গা কবজা করে নেয়, অতঃপর ঝগড়া বেড়েই চলল, হিন্দুরা চাচ্ছে ঐ জায়গায় মন্দির বানাবে আর মুসলমানরা চাচ্ছে মসজিদ ৷

ঝগড়া এক পর্যায়ে আদালত পর্যন্ত গেল, উভয়পক্ষ তাদের মজবুত দলীল প্রমান পেশ করল, এবং পরস্পরে খুব কথার কাটাকাটি হল, কোনোভাবেই উভয়পক্ষকে শান্ত করা যাচ্ছেনা ৷

ইংরেজ জজ হিন্দুদেরকে বললেন, আচ্ছা তোমরা কার সাক্ষ্য গ্রহণ করবে? মুসলমানদের মধ্যে এমন কেউ কি আছে যে সাক্ষ্য দিলে তোমরা মেনে নিবে?
তারা বলল হ্যাঁ, মাওলানা মুযাফফার হুসাইন সাহেব যা সাক্ষ্য দিবেন আমরা তাই মেনে নিব ৷

মুসলমানরা তো খুশীতে আত্মহারা! তারা ভাবল, মাওলানা তো আমাদের পক্ষেই কথা বলবেন!
মাওলানাকে ডাকা হল, মাওলানা মুযাফফার হুসাইন সাহেব বললেন, জজ সাহেব! জায়গাটা মূলত হিন্দুদের কিন্তু মুসলমানরা কবজা করে নিছে ৷
এটা শুনে মুসলমানরা খুবই লজ্জিত হল ৷
আর জজ সাহেব বললেন, আজকে মুসলমানরা হেরে গেছে ঠিকই কিন্তু ইসলাম জিতে গেছে ৷ সত্যিই ইসলাম সত্য ধর্ম মানুষকে সত্যবাদী হতে শেখায়৷ সত্য মুক্তি দেয় আর মিথ্যা ধ্বংস কর দেয় ৷

মুসলমানরা সত্যকথার সাক্ষ্য দিতে গিয়ে নিজেদের জাত-গোষ্টীর কথা ভাবেনা, অথচ সন্ত্রাস, ভূমিদস্যু হিন্দুরা মিথ্যা বলে মিথ্যা সাক্ষ্য দিয়ে শত শত বছরের পুরোনো মুসলমানদের মসজিদ গুড়িয়ে দিয়ে এর জমি দখল করে নিয়েছে, এর থেকেই বুঝা যায়, এরা মিথ্যুক, উগ্রবাদী।

এই ঘটনাটি নিউজিল্যান্ডের এক সফরে সবার উদ্দেশ্যে বলেন, এই কথাও বলেন: আমি পুরো নিউজিল্যান্ডে অনেক সফর করেছি, আমার মনে হয়েছে এখানকার মানুষ মিথ্যা কি? জানেই না ৷
কিন্তু তিন দেশের মানুষ যারা এখানে বসবাস করে তারাই বেশী মিথ্যা বলে, ১৷ পাকিস্তানী, ২৷ বাংলাদেশী, ৩৷ ইন্ডিয়ান ৷
এই তিন দেশের লোক ছাড়া কেউ মিথ্যা বলেনা, অথচ নিউজিল্যান্ডের মানুষ খ্রীস্টান, আজকে খ্রীস্টানরা মুসলমানদের গুণাগুণ ও সততা নিয়ে গেছে, যার ফলে খ্রীস্টানদেশগুলো খুবই সুখ-শান্তিতে বসবাস করতেছে, আর মুসলমানরা অশন্তিতে কষ্টে বসবাস করতেছে ৷

আল্লাহ তাআলা আমাদেরকে সবসময় সত্যকথা বলা, সত্যকথা শুনা, সত্যকথা বুঝা, ও সত্যকথা মানার তাওফীক দান করুন, আমীন৷

Share This Post