বর্তমান পরিস্থিতিতে হেফাজতে ইসলামের দুই ধারা ভিন্ন পথে হাঁটছে। সদ্য বিলুপ্ত কমিটিকে স’রকার রেখেছে কঠিন চা’পে, নেতাকর্মীদের গ্রে’ফতার ও হ’য়রানির ভিতর সময় কাটছে তাদের।

ঠিক বিপরীত চিত্র প্রয়াত আমির আল্লামা আহম’দ শফীর অনুসারীদের। তারা সদ্য বিলুপ্ত কমিটির কর্মকাণ্ড ভু’ল বলে নিজেরা ব্যাস্ত সংগঠন গোছাতে। এমনকি ঝিমিয়ে থাকা নেতাকর্মীদের চাঙা করে মাঠে নামার প্রস্তুতিও নিচ্ছে তারা।

আল্লামা আহম’দ শফীর অনুসারী হেফাজতে ইসলামের সাবেক যুগ্ম মহাস’চিব মাওলানা মাঈনুদ্দীন রুহী বলেন, ‘আল্লামা আহম’দ শফীর গঠন করা কমিটি নিয়ে হেফাজতে ইসলামের পূর্ণাঙ্গ কার্যক্রম শিগগিরই শুরু হবে। সিনিয়র নেতা ও দেশের শীর্ষ আলেম’দের নিয়ে দ্রু’ত বৈঠক হবে।

ওই বৈঠক থেকে হেফাজতে ইসলামের পুনর্জাগরণের ঘোষণা দেওয়া হবে’।বর্তমান কমিটি সংগঠনের গঠনতন্ত্র মেনে হয়নি দাবি করে মঈনুদ্দীন রুহী বলেন, ‘বাবুনগরীর নেতৃত্বাধীন হেফাজতের কমিটিতে জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটেনি।

তারা আলেম-উলামাদের স’রকার ও সহিং’সতার মুখোমুখি দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। এটা আল্লামা শফীর আদর্শচ্যুতি এবং তাঁর স’ঙ্গে গাদ্দারি। এটি করা হয়েছে রাজনৈতিক ফায়দা হাসিলের জন্য’।

বিলুপ্ত কমিটির শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক মুফতি হারুন ইজহার বলেন, ‘হেফাজতে ইসলামের কমিটি বিলুপ্ত করে পুনর্গঠনের যে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে তা যথাযথভাবে হতে হবে। তা না হলে হেফাজতে ইসলামকে আরো কঠিন পরিস্থিতির মোকাবেলা করতে হবে।’

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বিলুপ্ত কমিটির আরেক নেতা বলেন, ‘হেফাজতে ইসলামের বিলুপ্ত কমিটির নেতাকর্মীরা বর্তমানে সংগঠন নিয়ে কোনো চিন্তাভাবনা করছে না। তাদের সবাই গণগ্রে’প্তার

ও না’শকতার মা’মলা নিয়ে টেনশন ও আ’তঙ্কে আছেন। পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত সাংগঠনিক কার্যক্রমে সাধারণ নেতাকর্মীরা আসবে না, এটা নেতাদের জানা আছে। তাই বিলুপ্ত কমিটির পক্ষ থেকে কোনো কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে না আপাতত’।

বিলুপ্ত কমিটির শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক মুফতি হারুন ইজহার বলেন, ‘হেফাজতে ইসলামের কমিটি বিলুপ্ত করে পুনর্গঠনের যে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে তা যথাযথভাবে হতে হবে। তা না হলে হেফাজতে ইসলামকে আরো কঠিন পরিস্থিতির মোকাবেলা করতে হবে।’

Share This Post