বাংলাদেশের দেয়া ৩০৪ রানের লক্ষ্য ব্যাট করতে নেমে ৩ উইকেট হারিয়ে ফেললেও ইনোসেন্ট কাইয়া ও সিকান্দার রাজার ব্যাটে প্রতিরোধ বেষ্টনী গড়েছে জিম্বাবুয়ে। এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত দুজনে মিলে করেছেন ১০১ রানের জুটি। কাইয়া ও রাজা

দুজনেই পেয়েছেন হাফসেঞ্চুরির দেখা। ৩ উইকেটে জিম্বাবুয়ের সংগ্রহ এখন ১৬৩। কাইয়া ৬৮ রান ও রাজা ৬৩ রান নিয়ে ব্যাট করছেন। জয়ের জন্য তাদের আরও দরকার ১৪০ রান। বাংলাদেশের দরকার ৭ উইকেট। জিম্বাবুয়ে

শিবিরে প্রথম আঘাত হানেন টাইগার পেসার মুস্তাফিজুর রহমান। তার শিকারে পরিণত হয়ে ফিরে যান রেগিস চাকাভা। ফিজের অফ কাটার চাকাভার

ব্যাটে লেগে চলে যায় লেগ স্টাম্পে। ৬ বলে মাত্র ২ রান করেন জিম্বাবুইয়ান ওপেনার। ফিজের পর বোলিংয়ে এসে উইকেট নেন শরিফুল ইসলামও। শরিফুলের বলের

মোসাদ্দেক হোসেন সৈকতকে ক্যাচ দেন তারিসাই মুসাকান্দা। এরপর ইনোসেন্ট কাইয়া ও ওয়েসলে মেধেভেরে মিলে গড়েন ৫৬ রানের জুটি। ধীরে ধীরে ইনিংস বড়

করছিলেন এ দুজন। ঠিক তখনই টাইগারদের হয়ে ব্যাকথ্রু এনে দেন মেহেদী হাসান মিরাজ। মাহমুদউল্লার কাছ থেকে বল পেয়ে মেধেভেরেকে রানআউট করেন তিনি। ২৭ বলে ১৯ রান করেন

মেধেভেরে। টস হেরে আগে ব্যাট করে ২ উইকেটের বিনিময়ে ৩০৩ রানের সংগ্রহ পায় বাংলাদেশ। শুরুটা করেছিলেন তামিম-লিটন, শেষটা করেন মাহমুদউল্লাহ ও মুশফিক। তিন বছর পর মাঠে ফেরা

বিজয়ও খেল দেখালেন। স্বাগতিক জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে প্রথমবারের মতো টি-টোয়েন্টি সিরিজ হারের পর প্রিয় ফরম্যাটে খেলতে নেমেই চেনা ছন্দে ছিল বাংলাদেশ। বাংলাদেশের

প্রথম চারজন ব্যাটারই ফিফটির দেখা পান এ ম্যাচে। এমন ঘটনা বাংলাদেশের ওয়ানডে ইতিহাস দ্বিতীয়বার দেখার সুযোগ পেয়েছে। ওপেনিংয়ে নেমে তামিম ইকবাল ও লিটন মিলে

গড়েন শত রানের জুটি। তাদের জুটি ভাঙে তামিম ৬২ রান করে বিদায় নিলে। লিটন রিটায়ার্ড হার্ট হওয়ার আগে করেন ৮১ রান। এরপর এনামুল বিজয়ের ব্যাট

থেকে ৭৩ ও মুশফিকুর রহিমের ব্যাট থেকে ৫২ রান আসে। মাহমুদউল্লাহ ১২ বলে করেন ২০ রান। জিম্বাবুয়ের হয়ে একটি করে উইকেট নেন ভিক্টর নাইয়াচি ও সিকান্দার রাজা।

Share This Post