করোনাভাইরাসের দ্বিতীয় ঢেউয়ে আক্রান্ত ও মৃত্যুতে নতুন নতুন রেকর্ড গড়ছে বাংলাদেশ। হাসপাতালগুলোতে স্থান সংকুলান হচ্ছে না, আইসিইউ নিয়ে চলছে হাহাকার।

এমন পরিস্থিতিতে আগামী ১৪ এপ্রিল থেকে এক সপ্তাহের কঠোর লকডাউনের পরিকল্পনা করছে সরকার।

এদিকে লকডাউনেও শিল্পকারখানা খোলা রাখতে গত শুক্রবার থেকেই সরকারের বিভিন্ন পর্যায়ে দৌড়ঝাঁপ শুরু করেছেন গার্মেন্টস মালিকরা। পাশাপাশি শ্রমিকের বেতন-বোনাস পরিশোধে ১০ হাজার কোটি টাকার প্রণোদনা প্রস্তাব প্রস্তুত করছেন তারা।

জায়ান্ট গ্রুপের ব্যবস্থাপানা পরিচালক ফারুক হাসান গণমাধ্যম বলেন, ‘করোনায় গোটা অর্থনৈতিক অবস্থা টালমাটাল। রপ্তানি প্রবৃদ্ধিও খুবই খারাপ। এখন যদি কারখানা বন্ধ হয়ে যায়, শিপমেন্ট করতে না পারি তাহলে তো আরও খারাপ অবস্থা হবে।’

তিনি বলেন, ‘গত বছর প্রণোদনার অর্থে শ্রমিকের বেতন দিয়েছি। এবারও সামনে ঈদ আছে। আমাদের সবকিছু ভাবতে হবে। অর্থনীতিকে টিকিয়ে রাখতে হবে। এটা কেবল আমাদের জন্য না। রপ্তানি কমে গেলে গোটা জাতীয় অর্থনীতিতেই প্রভাব পড়বে।’

ফারুক হাসান বলেন, ‘সবকিছু বিবেচনা করে আমরা ১০ হাজার কোটি টাকার একটি প্রণোদনার প্রস্তাবনা প্রস্তুত করছি। বিজিএমইএর বর্তমান পরিচালনা পর্ষদ এই প্রস্তাবনা দেবে। আমিও তাদের সঙ্গে থাকবো।’

Share This Post