Spread the love

খেলাফত মজলিসের মহাসচিব ড. আহমদ আবদুল কাদের বলেছেন, আজকে মূতি ও ভাস্কর্য নিয়ে দেশে এক উত্তেজনাকর পরিস্থিতি বিরাজ করছে। দেশের সকল আলেম-ওলামা এক মত ইসলামে মূতি ভাস্কর্যের কোন স্থান নেই। শব্দগত পার্থক্য থাকলেও মূতি ও ভাস্কর্য একই জিনিস। ভাস্কর্য হচ্ছে মূর্তির শৈল্পিক নাম। কেউ ক্ষমতার জোরে কোন দেশে মূর্তি বা ভাস্কর্য স্থাপন করলেই তা বৈধ হবে না।

আজ (৮ ডিসেম্বর) মঙ্গলবার বেলা আড়াইটায় জাতীয় প্রেস ক্লাবের জহুর হোসেন চৌধুরী হলে ভারপ্রাপ্ত সভাপতি অধ্যাপক ডাক্তার রিফাত হোসেন মালিকের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক মাওলানা আজীজুল হকের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন সংগঠনের নায়েবে আমীল অধ্যাপক আবদুল্লাহ ফরিদ। অন্যান্যের মধ্যে আলোচনা পেশ করেন সংগঠনের যুগ্মমহাসচিব মাওলানা আহমদ আলী কাসেমী, কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ড. মোস্তাফিজুর রহমান ফয়সল, মাওলানা তোফাজ্জল হোসেন মিয়াজী, অধ্যাপক কাজী মিনহাজুল আলম, অধ্যাপক মোঃ আবদুল জলিল, ছাত্র মজলিসের কেন্দ্রীয় সভাপতি মনসুরুল আলম মনসুর, শ্রমিক মজলিসের সভাপতি হাজী নূর হোসেন, মাওলঅনা আবদুল হক আমিনী, মাওলানা সাইফ উদ্দিন আহমদ খন্দকার, ছাত্র মজলিস নেতা কে এম ইমরান হোসাইন প্রমুখ।

দেখতে হবে কুরআন- সুন্নাহ কি বলে। তাই মূর্তি বা ভাস্কর্যের সংষ্কৃতি চাপিয়ে দেয়া চেষ্টা দেশবাসী কখনোই মেনে নেবে না। কিন্তু একই সাথে মনে রাখতে হবে আইন নিজের হাতে তুলে নেয়ার অবকাশ নেই। আমরা প্রতিবাদ করেই যাবো। সত্য কথা বলেই যাবো। এদেশের আলেম ওলামা কোন কিছু ভাংচুর করতে বলেন নি, তারা ইসলামের আলোকে ভাস্কর্য বৈধ না অবৈধ তা সরকারসহ জাতিকে জানিয়ে দিয়েছেন। বাকী কাজ সরকারের।

তিনি বলেন, ভাস্কর্য ইস্যুকে কেন্দ্র করে আলেম ওলামাদের উপর জুলুম করার চেষ্টা করা হলে তা দেশের তাওহিদী জনতা বরদাস্ত করবে না। আলেমদের উপর জুলুমের পরিনাম সরকারের জন্য শুভ হবে না।

সভায় হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের আমীর সর্বজন শ্রদ্ধেয় আলেম আল্লামা জুনায়েদ বাবুনগরীসহ বিশিষ্ট আলেমদের বিরুদ্ধে বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহ মামলার দায়েরের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে অবিলম্বে দায়েরকৃত মামলা প্রত্যাহারের দাবী জানানো হয়। খেলাফত মজলিসের ৩১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে ঢাকা মহানগরী আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

ড. আহমদ আবদুল কাদের বলেন, আজ থেকে ৩১ বছর আগে ১৯৮৯ সালে ৮ ডিসেম্বর গণমানুষের মুক্তির লক্ষ্যে খেলাফত আল মিনহাজিন নব্যুয়ার আদলে একটি কল্যাণ রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার জন্য দেশের হক্কানী ওলামা ও দ্বীনদার বুদ্ধিজীবী শ্রেণীর সমন্বয়ে খেলাফত মজলিস প্রতিষ্ঠিত হয়েছিলো। দেশ জাতি ও ইসলামের পক্ষে যে কোন জুলুম নির্যাতন ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে খেলাফত মজলিস ময়দানে সোচ্চার ভ‚মিকা অব্যাহত রেখেছে। খেলাফত প্রতিষ্ঠার আন্দোলনকে বেগবান করতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ ভ‚মিকা পালন করতে হবে।

Share This Post