হেফাজতে ইসলামের আমীর হাটহাজারী দারুল উলুম মঈনুল ইসলাম হাটহাজারী মাদরাসার শিক্ষা পরিচালক আল্লামা হাফেজ জুনায়েদ বাবুনগরীর দাফন সম্পন্ন হয়েছে। বৃহস্পতিবার রাত ১১টা ২০ মিনিটে হাটহাজারী মাদরাসা মাঠে জানাজা শেষে হাটহাজারী মাদরাসার কবরস্থান ‘মাগবারায়ে জামেয়ায়’ হেফাজতের সাবেক আমীর আল্লামা শাহ আহমদ শফী রহ:-এর পাশেই জুনায়েদ বাবুনগরীর লাশ দাফন করা হয়।

জানাজা পড়ান হেফাজতের প্রধান উপদেষ্টা আল্লামা মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরী। জানাজায় অংশগ্রহণ করেন ব্যারিস্টার আনিসুল ইসলাম মাহমুদ এমপি, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান, বেফাকের সভাপতি ও হাইয়াতুল উলইয়ার চেয়ারম্যান মজলিসে দাওয়াতুল হকের আমির আল্লামা মাহমুদুল হাসান, মাওলানা নুরুল ইসলাম জিহাদি, মাওলানা আব্দুল হালীম মধুপুরী, মাওলানা মাহফুজুল হক, মাওলানা আব্দুল আউয়াল, মুফতি মুহাম্মদ আলী, মুফতি হুমায়ুন আইয়ুব, মাওলানা গাজী সানাউল্লাহ, সাইমুম সাদী, ড. এনায়াতুল্লাহ আব্বাসীসহ বিভিন্ন দলের কেন্দ্রীয় ও চট্টগ্রাম মহানগর, জেলা উপজেলার নেতৃবৃন্দসহ লক্ষাধিক জনতা।

আল্লামা আহমদ শফীর ইন্তেকালের পর বিভিন্ন বিতর্কের মধ্যে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের হাল ধরেন আল্লামা জুনায়েদ বাবুনগরী। এর আগে তিনি হেফাজতের মহাসচিবের দায়িত্ব পালন করেছেন দীর্ঘ দিন। একই সাথে দেশে কওমি মাদরাসা শিক্ষার সর্বোচ্চ প্রতিষ্ঠান হিসেবে বিভিন্ন মহলে পরিচিত হাটহাজারী মাদরাসার শিক্ষক ও পরিচালক ছিলেন বাবুনগরী। তবে হেফাজতের আমিরের নেতৃত্বের কারণে দেশ-বিদেশে তার ব্যাপক পরিচিতি পান তিনি। বিশেষ করে হেফাজতের একটি অংশ যখন বর্তমান সরকারের সাথে সমঝোতার পক্ষ নেয়, তখন বাবুনগরীর সরকারবিরোধী দৃঢ় অবস্থানের বিষয়টি ব্যাপক আলোচিত হন।

জুনায়েদ বাবুনগরী ১৩৭৩ হিজরি মোতাবেক ১৯৫৩ খ্রিস্টাব্দে চট্টগ্রামের ফটিকছড়ির বাবুনগরে জন্মগ্রহণ করেন। ২০২১ সালের ১৯ আগস্ট ৬৮ বছর বয়সে তিনি ইন্তেকাল করেন। তার বাবা মরহুম হজরত আল্লামা আবুল হাসান। তার স্ত্রী, পাঁচ মেয়ে ও এক ছেলে সন্তান রয়েছে।

Share This Post