আসামে হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের মন্দির নির্মানের জন্য কয়েক’শ মুসলিম পরিবারকে উচ্ছেদ করে ভারতের ওই রাজ্যের হিন্দুত্ববাদী বিজেপি সরকার। এসময় মুসলিমদের ওপর বড় ধরনের নির্যাতন চালানো হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। মুসলিমদের ওপর নির্যাতন বন্ধে গত ৩ অক্টোবর ওই ঘটনার প্রতিবাদ জানায় মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশগুলোর জোট অরগানাইজেশন অফ ইসলামিক কো-অপারেশন (ওআইসি)। এক বিবৃতিতে তারা আসামের মুসলিম সম্প্রদায়ের উপর হওয়া নির্যাতন ও উচ্ছেদ অভিযানের সমালোচনা করে।

ওআইসি জানায়, ভারতীয় সরকারের এই আচরণ খুবই নিন্দনীয় এবং সরকারের আরও দায়িত্বশীলভাবে কাজ করা উচিত।

তবে আসামের মুসলিমদের পক্ষে কথা বলায় মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশগুলোর এ বৃহৎ সংগঠনটিকে হুঁশিয়ারি দিয়েছে দিল্লি। শুধু তাই নয়, ভবিষ্যতেও ওআইসি যেন প্রতিবাদ না জানায়-এমনটাও দাবি করা হয়েছে। মুসলিমদের ওপর নির্যাতনের প্রতিবাদ করাকে অভ্যন্তরীণ বিষয় দাবি করে গত ৮ অক্টোবর এক বিবৃতিতে ভারতের হিন্দুত্ববাদী বিজেপি সরকারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে বলা হয়, ভারতের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে মন্তব্য করার কোন আইনগত অধিকার ওআইসির নেই।

এ বিষয়ে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র অরিন্দম বাগচি বলেন, ভারত আশা করবে, এই ধরনের কোন মন্তব্য ওআইসি ভবিষ্যতে আর করবে না।

বিবৃতিতে তিনি বলেন, আসামে ঘটে যাওয়া দুঃখজনক ঘটনাকে কেন্দ্র করে ওআইসি’র মন্তব্যে ভারত খুবই আশাহত।

ভারতের অভ্যন্তরীণ ব্যাপারে কথা বলার কোন আইনি অধিকার জোটটির নেই দাবি করে ভারতীয় এ কর্মকর্তা বলেন, কোনো ব্যক্তিগত বা কায়েমি স্বার্থ চরিতার্থ করতে কেউ যেন ওআইসিকে ব্যবহার করতে না পারে সে দিকেও জোটটির নেতাদের নজর রাখতে হবে।

Share This Post