মাইক্রোবাসের চালক রফিকুল ইসলামের ভাষ্য,এখানে যাতে যাত্রী ওঠাতে পারি, তার জন্য হাইওয়ে পুলিশকে এক হাজার টাকা দিয়েছি। ‘চন্দ্রা মোড়ে কয়েক রকমের পুলিশ থাকে। সবাই আলাদা আলাদা টাকা চায়।

তার মধ্যে হাইওয়ে পুলিশ বেশি বিরক্ত করে। সকালে এখানে ২০ থেকে ২৫টি মাইক্রোবাস জমা হয়েছে। সবাইকে কমপক্ষে এক হাজার টাকা করে দিতে হয়েছে। যার কারণে যাত্রীদের কাছ থেকে একটু বেশি ভাড়া নেওয়া হচ্ছে।

গাজীপুরের শালনা (কোনাবাড়ি) হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মীর গোলাম ফারুক জানান, মাওয়া আরিচাঘাটে যানবাহন চলাচল বন্ধ থাকায় গত রাত থেকে চন্দ্রা এলাকা দিয়ে যানবাহন চলাচল বেশ বেড়েছে। তবে যানবাহন স্বাভাবিকভাবে চলছে।

যানবাহন থেকে পুলিশের টাকা নেওয়ার বিষয়ে ওসি বলেন, কোনো পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে টাকা নেওয়ার অভিযোগ প্রমাণ পাওয়া গেলে তার বিরুদ্ধে কঠিন ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Share This Post