Spread the love

পুলিশ হচ্ছে জনগণের বন্ধু এই কথা তাদের মূল প্রতিপাদ্য তবে বাস্তব জীবনে দেখা যায় পুলিশের এ ধরনের কর্মকাণ্ড আদৌ মানুষের চোখে পড়েছে কিনা সেটা নিয়ে সংশয় রয়েছে যথেষ্ট বর্তমান সময়ে পুলিশ যে সমস্ত নেতিবাচক কর্মকাণ্ডে যাচ্ছে তাতে করে দেখা যায় মানুষের মনে পুলিশের জন্য ভীতিকর পরিস্থিতি তৈরি হচ্ছে এবং বিভিন্ন মামলার ভয়ে মানুষ পুলিশের থেকে সাহায্য নিয়ে জন্য ছুটে যাচ্ছে না এবং শত বিপদেও পুলিশের দ্বারস্থ হচ্ছে না মানুষ

গণমানুষের কল্যাণে নাগরিক সেবায় বাংলাদেশ পুলিশের যেকোনো প্রান্তের যেকোনো সদস্য যত বেশি ইতিবাচক কাজ করবেন তত বেশি পুরস্কার ও প্রণোদনা প্রদান করা হবে। সমন্বিত উন্নয়নের জন্য জনবান্ধব পুলিশিংয়ের কোনো বিকল্প নেই, সেজন্যই আমরা পুলিশিং সেবাকে নাগরিকদের দোরগোড়ায় নিতে চাই।

সোমবার রাতে পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের সম্মেলন কক্ষে জরুরি সেবা ৯৯৯-এর কলটেকারদের সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন বাংলাদেশে পুলিশের ইন্সপেক্টর জেনারেল (আইজিপি) ড. বেনজীর আহমেদ।

মঙ্গলবার সকালে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব জানায় পুলিশ সদর দফতর।

এর আগে গত ২৮ মে ঘূর্ণিঝড় আমফানের প্রাক্কালে সুন্দরবনের নিখোঁজ হওয়া ৬ কিশোর উদ্ধারে অবদান রাখায় সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সম্মাননা দেয়া হয়।

সম্মাননা পাওয়া পুলিশ সদস্যরা হচ্ছেন- ৯৯৯-এর কলটেকার কনস্টেবল পপি আক্তার, বাগেরহাটের ধানসাগর নৌ-পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এএসআই আজিম উদ্দিন, নায়েক মো. মনিরুল ইসলাম, কনস্টেবল মো. জামিল হোসেন, কনস্টেবল মো. জমিরুল ইসলাম, কনস্টেবল মো. আবুল কালাম, কনস্টেবল মো. টুকু মিয়া, কনস্টেবল মো. জহিরুল ইসলাম এবং স্থানীয় নাগরিক মো. ছগীর আকন, মো. মিলন ফরাজী, মুহাম্মদ সগীর হাওলাদার এবং সোহাগ হাওলাদার। অনুষ্ঠানে আইজিপির পক্ষ থেকে বিশেষ সম্মাননা, সার্টিফিকেট, ক্রেস্ট ও প্রণোদনা প্রদান করা হয়।

এ সময় আইজিপি বলেন, সুন্দরবনে নিখোঁজ ৬ কিশোর উদ্ধারের মডেলটি স্থানীয় নাগরিক ও পুলিশের মেলবন্ধনের একটি দৃষ্টিনন্দন ও অনুকরণীয় উদাহরণ। পুলিশের সময়োপযোগী ও সমন্বিত উদ্যোগ না থাকলে হয়তো সম্ভাবনাময়ী ওই ৬ কিশোরের জীবন বিপন্ন হতে পারতো! ভালো কাজের কোনো শেষ নেই, তাই আমাদের প্রতিনিয়ত অধিকতর ভালো কাজ করে যেতে হবে।

অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী ও প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টাকে ধন্যবাদ জানিয়ে আইজিপি উল্লেখ করেন, বাংলাদেশের ন্যাশনাল ইমার্জেন্সি সার্ভিস ৯৯৯ আমাদের ত্বরান্বিত, গতিশীল এবং সমন্বিত সেবা প্রদান করতে ব্যাপক ভূমিকা পালন করছে।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ পুলিশের সদস্যরা প্রতিনিয়ত নানা প্রান্তে নানাভাবে ইতিবাচক নাগরিকবান্ধব কাজ করে চলেছে। সেইসব ভালো কাজ আমাদের দৃষ্টিতে আনতে হবে, যাতে আমরা পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স থেকে তাদের প্রণোদনা প্রদান ও পুরস্কৃত করতে পারি।
দেশের বর্তমান সময়ে পুলিশের যে নেতিবাচক মনোভাব সেটা কোনভাবেই কাটিয়ে উঠতে পারছে না তারা একের পর এক বিতর্কিত পুলিশ কর্মকর্তাদের বিভিন্ন কর্মকাণ্ড ফুটে উঠছে যা পুলিশ বাহিনীর সম্মান নষ্ট করে সেই সাথে সারাদেশের পুলিশের যে সাধারণ মানুষের প্রতি খারাপ আচরণ সেটা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে

Share This Post