Spread the love

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ভোট কারচুপির অভিযোগ করে আসছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। যদিও এখন পর্যন্ত এমন অভিযোগের পক্ষে কোনো প্রমাণ দেখাতে পারেননি ট্রাম্প। কিন্তু নির্বাচনের ফলের বিপক্ষে আইনি লড়াইয়ে নামবেন বলেও তিনি জানান।

তার নিজের টুইটার অ্যাকাউন্টে এক টুইটে ট্রাম্প বলেন, ‘আমরা মনে করি এ লোকগুলো চোর। আমাকে হারিয়ে দিল।
এটা চুরির নির্বাচন। ব্রিটেনের সেরা ভোট বিশেষজ্ঞ বলেছেন যে, এটা পরিষ্কার চুরির ভোট ছিল। এ কারণে কিছু রাজ্যে বারাক ওবামাকেও টপকে গেছেন বাইডেন।’

টুইটে তিনি আরও বলেন, ‘পার্থক্যটা সেখানেই গড়ে দিয়েছে যে, ওরা যা চুরি করতে চেয়েছিলেন সেটা করেছে।’ তবে ট্রাম্পের এমন সব অভিযোগ একেবারেই পাত্তা দিতে নারাজ বাইডেনের ডেমোক্র্যাট শিবির।
ভোট গণনায় অনেকটা পিছিয়ে পড়ার পর থেকে ট্রাম্প নানাভাবে হুঙ্কার ছেড়েছেন। ভোট চুরির অভিযোগের পাশাপাশি হঠাৎ গণনা বন্ধ করার মতোও আর্জি নিয়ে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছে তার শিবির। অবশ্য সেই অভিযোগের আর্জি মেনে নেননি আদালত।

জর্জিয়ায় যখন হাড্ডাহাড্ডি লড়াই চলছিল তখনই জয়ের আশায় পুনর্গণনা করা হয়। তাতেও জিততে পারেননি ট্রাম্প। বারবার জেতার আশায় একাধিক পদক্ষেপ নিলেও তার কথা কেউ শোনেননি। অগত্যা, মেজাজ হারান ট্রাম্প।

ভোট গণনার পর বাইডেনের ঝুলিতে একের পর এক অঙ্গরাজ্য যোগ হতে থাকার পর থেকে ‘ভোটচুরি’র অভিযোগ তুলে সরব হন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। এমনকি আদালতে পর্যন্ত টেনে নিয়ে যান পুরো বিষয়টিকে।
আদালত হতাশ করলেও এখনও নিজের অবস্থানে অনড় তিনি। কোনোভাবেই প্রেসিডেন্টের ক্ষমতা ছাড়তে তিনি নারাজ। আর তাই ফের ‘ভোট চুরি’র অভিযোগ তুলেছেন ডেমোক্র্যাটদের বিরুদ্ধে।

Share This Post