Spread the love

রাম-বাম সহ যারা আজ ওলামায়ে কেরামের বিরুদ্ধে উস্কানিমূলক বক্তব্য সহ নানা কটূক্তিমূলক কথা বলে দেশের শান্তিশৃঙ্খলা বিনষ্ট করে অরাজকতা সৃষ্টির পায়তারা করছে তাদেরকে মুখ সামলিয়ে কথা বলার হুশিয়ারী উচ্চারণ করেছেন আমীরে হেফাজত শায়খুল হাদীস আল্লামা জুনায়েদ বাবুনগরী হাফিযাহুল্লাহু।

গতকাল ১০ ডিসেম্বর বৃহস্পতিবার জামিয়া আরাবিয়া জিরি মাদরাসার বার্ষিক মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যকালে এ হুশিয়ারী উচ্চারণ করেন তিনি।

আল্লামা বাবুনগরী বলেন,আবু জাহেল,আবু লাহাব সহ যে সব কাফেররা রাসূল সা. এর শানে কটুক্তি করতো,রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে নানাভাবে কষ্ট দিতো ইতিহাস সাক্ষী তাদের পরিণতি ভয়াবহ হয়েছে। হক্কানি ওলামায়ে কেরাম সেই নবীর উত্তরসূরী। আজকের দিনেও যারা নায়েবে নবী ওলামায়ে কেরামেকে নিয়ে কটুক্তি করছে, বিষোদগার করছে তাদের পরিণতিও ভয়াবহ হবে। তাই আজ যারা ওলামায়ে কেরামের বিরুদ্ধে যা ইচ্ছে তাই বলে বেড়াচ্ছেন আপনারা মুখ সামলিয়ে কথা বলুন। নইলে পরিণতি খুবী ভয়াবহ হবে।

আল্লামা জুনায়েদ বাবুনগরী আরো বলেন,আজ ওলামায়ে কেরামকে নিয়ে এতো বিষোদগারের পরও আমরা চুপ আছি। এর মানে এই নয় যে ওলামায়ে কেরাম দূর্বল বরং আমরা ধৈর্যের পরিচয় দিচ্ছি। দেশের শান্তিশৃঙ্খলা বজায় রাখছি। তবে ধৈর্যের বাঁধ ভেঙে গেলে সমুচিত জবাব দেওয়া হবে।

তিনি আরো বলেন,আমরা আইন নিজেদের হাতে তুলে নেই না। আমরা আমাদের সকল বিচার মহান আল্লাহ তায়া’লার নিকট সোপর্দ করি। আল্লাহ তায়া’লা উত্তম ও ন্যায় বিচারক।

নবী-রাসূলগণের দূষমনদেরকে আল্লাহ তায়া’লা যেভাবে উচিত শিক্ষা দিয়েছেন ওলামায়ে কেরামকে নিয়ে কটুক্তি আর বিষোদগারীদেরকেও সেই পরিণত ভোগ করতে হবে।

ভাস্কর্য ইস্যুতে আমীরে হেফাজত আল্লামা জুনায়েদ বাবুনগরী বলেন,ইসলামে ভাষ্কর্য নেই। সেটা যে কোন প্রাণীর হোকনা কেন, যে কোন দলের নেতার হোকনা কেন। ইসলামে প্রাণীর ভাস্কর্য সম্পূর্ণ হারাম,নাজায়েজ। ভাস্কর্য বিষয়ে ওলামায়ে ইসলামের সঠিক বিধান কি সেটা সরকার ও জাতির সামনে তুলে ধরেছেন। যে কোন বিষয়ে ইসলামের বিধিবিধান তুলে ধরাটা ওলামায়ে কেরামের দায়িত্ব ও কর্তব্য। মানা না মানা সেটা সরকার ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাজ।

দুইদিন ব্যাপী মাহফিলে গতকাল প্রথম দিন অন্যান্যদের মধ্যে আরো বয়ান করেন,জামিয়া বাবুনগরে মহাপরিচালক মুজাহিদে মিল্লাহ আল্লামা শাহ মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরী,আল্লামা নুরুল ইসলাম আদীব,আল্লামা আব্দুল হামীদ পীর সাহেব মধুপুর, স্থানীয় সাংসদ ডক্টর আবু রেজা নদভী,বেফাক মহাসচিব মাওলানা মাহফুজুল হক,মাওলানা নজির আহমদ,মাওলানা ইয়াহইয়া মাহমুদ প্রমূখ।

Share This Post