ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের নায়েবে আমির মুফতি ফয়জুল করীম বলেন, `ইদানিং ছাত্রলীগের আমার ছাত্র বাবারা কওমি মাদরাসায় ছাত্রলীগ গঠন করার আহ্বান জানিয়েছে। এবং তারা কওমি মাদরাসায় ছাত্রলীগের কমিটি গঠনের ঘোষণা দিয়েছে।আমি তাদেরকে কওমি মাদরাসায় ওয়েলকাম জানাচ্ছি।’

মুফতি ফয়জুল করীম বলেন, `তাদের উচিত কমপক্ষে কওমি মাদরাসায় এসে ছাত্রদের সঙ্গে মেলামেশা করা। তাদের সোহবত অর্জন করা। তাহলে এর মাধ্যমে লাভ হবে হলো, ‘জাহাঙ্গীরনগর ইউনিভার্সিটি তে ১০০ ধর্ষণ করে সেঞ্চুরি উদযাপন করা হবে না। এমসি কলেজে স্বামীর থেকে ছিনিয়ে নিয়ে স্ত্রীকে ধর্ষণ করা হবে না। ইউনিভার্সিটির সামনে বাঁধনকে শ্লীলতাহানি করা হবে না। ফরিদপুরের একজন ছাত্রলীগের সভাপতি দুই হাজার কোটি টাকা পাচার করার ইতিহাস আর গড়বে না। ইউনিভার্সিটিগুলোতে অস্ত্রের মহড়া থাকবে না। অস্ত্র চোরাচালানে চলবে না। ইয়াবা থাকবেনা। ফেনসিডিল চলবে না। গাজা থাকবে না। মদপান চলবে না। খুন হবে না। ধর্ষণ হবে না।’

তিনি বলেন, ‘কিন্তু আমি ছাত্রলীগের সভাপতিকে বলব- তুমি তোমার ম্যানেজিং সম্পর্কে জানো না। তুমি কি জানো না! তোমাদের ওলামা লীগ তোমাদেরকে এক্সেপ্ট করে না। কারণ তোমরা হলে অসাম্প্রদায়িক, তারা হলো সাম্প্রদায়িক। এর জন্য তোমরা ওলামালীগকে স্বীকার করতে পারো না। সুতরাং কওমি মাদরাসায় ছাত্র সংগঠন করার আগে তোমাদের নীতি পরিবর্তন করে এসো। এর আগে আসার সুযোগ নেই।’

তিনি আরো বলেন, ‘যেহেতু আমরা তোমাদেরকে কওমি মাদরাসায় সংগঠন করার জন্য ওয়েলকাম জানাচ্ছি; তাহলে তোমরা ইউনিভার্সিটিতে আমাদেরকে সংগঠন করতে বাধা দাও কেন! তখন আমাদেরকে সাম্প্রদায়িক বলো কেন! আসো মিলেমিশে তোমরাও সংগঠন করো, আমরাও সংগঠন করি। যাদের আদর্শ সুন্দর হবে তাদের সংগঠনকে জাতি কবুল করবে। আর যাদের আদর্শে নোংরামি থাকবে, তাদের সংগঠনকে ছুড়ে ফেলে দিবে।’

Share This Post