Spread the love

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর মহাসচিব অধ্যক্ষ হাফেজ মাওলানা ইউনুছ আহমাদ ও যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা গাজী আতাউর রহমান কুষ্টিয়ার পুলিশ সুপার এস এম তানভীর আরাফাত বাঘা যতীনের ভাস্কর্য ভাঙচুরের প্রতিবাদে অনুষ্ঠিত এক সভায় অপ্রাসঙ্গিকভাবে ওলামায়ে কেরামকে নিয়ে তুচ্ছ-তাচ্ছল্য ও বিদ্বেষপূর্ণ বক্তব্যের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন।

এক বিবৃতিতে নেতৃদ্বয় বলেন, কুষ্টিয়ার এসপি প্রজাতন্ত্রের একজন কর্মচারী হয়ে যে ভাষায় বক্তব্য দিয়েছেন, তা প্রজাতন্ত্রের আইনের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। নেতৃদ্বয় বলেন, পুলিশ প্রশাসনের একজন উর্ধ্বতন কর্মকর্তা হয়ে তিনি শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষার কথা না বলে সাম্প্রদায়িকতা উস্কে দিয়ে সম্প্রীতি বিনষ্টের ষড়যন্ত্র করেছেন।

নেতৃদ্বয় বলেন, কুষ্টিয়ার এসপি এস এম তানভীর আরাফাত জনগণের একটি বিশাল অংশকে যেভাবে ডিক্টেটরের মতো তিনটি অপশন দিয়ে ফরমান যারি করেছেন, তা সুস্পষ্টভাবে বাকস্বাধীনতা ও সংবিধানের লঙ্ঘন। এ ধরণের বক্তব্য প্রশাসনের কোনো কর্মকর্তার হতে পারে না। এ ধরণের উগ্র ব্যক্তি প্রশাসনের গুরুত্বপূর্ণ পদে এখন পর্যন্ত কিভাবে বহাল থাকে, তা আমাদের বোধগম্য নয়। এসপির কথাবার্তায় মনে হয়েছে পুলিশি পোশাকে তিনি একজন সন্ত্রাসী বা উগ্র রাজনীতিবিদ। জনগণের টেক্সের পয়সায় পরিচালিত এমন উগ্র এসপি’র প্রয়োজন আছে বলে দেশবাসী মনে করেন না।

নেতৃদ্বয় বলেন, এসপি সাহেব যদি বক্তব্য দিতে চান তাহলে পুলিশের পোশাক ছেড়ে দিয়ে রাজনীতির ময়দানে এসে দেন, তাতে কারো কোন আপত্তি নেই। তাছাড়া বাঘা যতীনের ভাস্কর্য ভাঙ্গার দায়ে যাদেরকে গ্রেফতার করা হয়েছে, তাদের বিষয়ে কিছু না বলে তিনি কাদের ইঙ্গিতে উধোর পিন্ডি বুদুর ঘারে চাপাতে চেয়েছেন, তা নিয়ে জনমনে ব্যাপক প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে।

নেতৃবৃন্দ বলেন, আশাকরি পুলিশের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ বিষয়টি আমলে নিয়ে কুষ্টিয়ার পুলিশ সুপার (এসপি) এস এম তানভীর আরাফাত-এর বিরুদ্ধে যথাযথ পদক্ষেপ নেবেন।

Share This Post