ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) শীর্ষ নেতা সুব্রামানিয়ান স্বামী ক্ষমতায় আসতেই বাংলাদেশের এক তৃতীয়াংশ ভূখণ্ড দাবি করেছেন। হিন্দু জাতীয়তাবাদী এই নেতা বলেন, ‘খুলনা থেকে সিলেট পর্যন্ত সমান্তরাল রেখা টেনে এই জমি ভারতের হাতে ছেড়ে দিতে হবে বাংলাদেশকে।

গতকাল শনিবার আসামের শিলচর থেকে প্রকাশিত বাংলা দৈনিক ‘সাময়িক প্রসঙ্গ’ নামে একটি পত্রিকার প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।পত্রিকাটি জানিয়েছে, গত শুক্রবার গোহাটীতে নির্বাচনী প্রচারে গিয়ে এমন মন্তব্য করেছেন সুব্রামানিয়ান স্বামী।

তিনি বলেন, ‘ভারত বিভক্ত হয়েছিল ধর্মে‌র ভিত্তিতে। তাই বাংলাদেশ থেকে যে এক তৃতীয়াংশ মুসলমান ভারতে অনুপ্রবেশ করেছে তা ফিরিয়ে নিতে হবে ঢাকাকে।

নইলে এসব মুসলিম নাগরিকের বসবাসের জন্য বাংলাদেশের এক তৃতীয়াংশ জমি ছাড়তে হবে বাংলাদেশকে। বিজেপির এ নেতা জানান, এ বিষয়ে নরেন্দ্র মোদী কিংবা অন্য নেতাদের সঙ্গে তার কথা না হলেও সঠিক সময়ে তা পার্লামেন্টে উত্থাপন করবেন তিনি।

বুকের দু’ধ বিক্রি করেই লাখপতি না’রী

দুই স’ন্তানের মা তিনি। ব’য়স ২৪ বছর৷ ব্যবসার কারণেই লাখপতি হয়েছেন তিনি। তবে সাধারন ব্যবসা নয় নিজের বুকের দু’ধ বিক্রি করেন এই না’রী৷ সাইপ্রাসের এই না’রীর নাম রাফেলিয়া ল্যামপ্রোউ ৷

যখন তার ছেলে আঞ্জে’লিও জ’ন্ম হয়, তখন তিনি দেখেন ছেলেকে দু’ধ খাওয়ানোর পরেও অনেকটা দু’ধ বেঁচে যাচ্ছে৷ তখনই নিজের বুকের দু’ধ দান করার কথা ভাবেন রাফেলিয়া৷প্রথমে কিছু বাচ্চাদের, যারা মাতৃদুগ্ধ পায়না তাদের মধ্যে নিজের বুকের দু’ধ বিক্রি করেন৷

তারপর এই কাজটি ব্যবসায় রূপান্তরিত হয়৷ রাফেলিয়া জানায়,প্রতিদিন ২ লিটারেরও বেশি দু’ধ তৈরি হত তার৷ এত দু’ধ নিয়ে কী করবেন তিনি ভেবে পাচ্ছিলেননা৷ শেষ পর্যন্ত এক দম্পতিকে তিনি সাহায্য করতে এগিয়ে আসেন৷ সদ্যোজাতের জন্য ওই মায়ের কাছে মাতৃদুগ্ঘের যোগান ছিল খুবই কম৷

এই সময়ই বেশকিছু বডি বিল্ডার তার কাছে বুকের দু’ধ কেনার ই’চ্ছা প্রকাশ করেন৷ শ’রীরের গ্রোথের জন্য যেহেতু এই দু’ধ খুবই উপকারি, সে কারণেই বডি বিল্ডারদের কাছে দিনে দিনে মাতৃদুগ্ধের চা’হিদা বাড়তে থাকে৷

এরপর থেকেই রাফেলিয়া বাণিজ্যিকভাবে বুকের দু’ধ বেঁচতে শুরু করেন৷ ধীরে ধীরে এটাই তার পেশায় পরিণত হয়েছে। প্রতি আউন্স দু’ধের জন্য ১ ইউরো নিতে শুরু করেন তিনি৷

রাফেলিয়ার স্বা’মী অ্যালেক্সও তার এই কাজে কখনো বাঁ’ধা দেননি বরং বরাবর তিনি সাপোর্ট করেছেন৷ এখন নিজের একটি ফেসবুক পেজ ও ওয়েবসাইট চালান রাফালিয়া৷ সেখানে পরিষ্কার লেখা রয়েছে যে, তিনি ম’দ খাননা, ধূমপানও করেননা৷ এখন অনলাইনেই নতুন মা বা বডি বিল্ডাররা মাতৃদুগ্ধের জন্য তার কাছে আবেদন করেন৷

এই সময়ই বেশকিছু বডি বিল্ডার তার কাছে বুকের দু’ধ কেনার ই’চ্ছা প্রকাশ করেন৷ শ’রীরের গ্রোথের জন্য যেহেতু এই দু’ধ খুবই উপকারি, সে কারণেই বডি বিল্ডারদের কাছে দিনে দিনে মাতৃদুগ্ধের চা’হিদা বাড়তে থাকে৷

এরপর থেকেই রাফেলিয়া বাণিজ্যিকভাবে বুকের দু’ধ বেঁচতে শুরু করেন৷ ধীরে ধীরে এটাই তার পেশায় পরিণত হয়েছে। প্রতি আউন্স দু’ধের জন্য ১ ইউরো নিতে শুরু করেন তিনি৷

রাফেলিয়ার স্বা’মী অ্যালেক্সও তার এই কাজে কখনো বাঁ’ধা দেননি বরং বরাবর তিনি সাপোর্ট করেছেন৷ এখন নিজের একটি ফেসবুক পেজ ও ওয়েবসাইট চালান রাফালিয়া৷ সেখানে পরিষ্কার লেখা রয়েছে যে, তিনি ম’দ খাননা, ধূমপানও করেননা৷ এখন অনলাইনেই নতুন মা বা বডি বিল্ডাররা মাতৃদুগ্ধের জন্য তার কাছে আবেদন করেন৷

Share This Post