Spread the love





প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, জনগণের অকুণ্ঠ সমর্থনে আওয়ামী লীগ একের পর এক ভোটে জিতে ক্ষমতায় থাকছে। আমাদের সরানোর জন্য যত বেশি নাড়াচাড়া করবে আওয়ামী লীগের শিকড় তত বেশি মাটিতে শক্ত ও পোক্ত হবে।

মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) বিকেলে জেল হত্যা দিবস উপলক্ষে আওয়ামী লীগ আয়োজিত ভার্চুয়াল আলোচনা সভায় এই মন্তব্য করেছেন তিনি।

বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে কেন্দ্রীয় নেতাদের উপস্থিতিতে এক স্মরণ সভায় গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সে যুক্ত ছিলেন বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা।



আজকে যারা ভোট নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন, তাদের কাছে পাল্টা প্রশ্ন করে শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘জিয়া অথবা এরশাদের ভোট আপনারা দেখুন। আওয়ামী লীগ সবসময়ই নির্বাচনমুখী দল ছিল। সেখানে আমরা কী চেহারা দেখেছি। সেখানে তো আমরা জনগণ দেখিনি।
তখন তো কথাই ছিল, দশটা গুন্ডা, বিশটা হোন্ডা, নির্বাচন ঠাণ্ডা। এটাই তো ছিল তখনকার বাস্তবতা। ভোটার লিস্টের তো কোনো বালাই ছিল না তখন। এভাবেই তারা তখন নির্বাচনগুলো করেছে।’

২০০১ সালের জাতীয় নির্বাচনের পরিস্থিতি তুলে ধরে তিনি বলেন ‘আমরা তো ভোটে হারিনি। সেখানেও একটা চক্রান্ত হল! ২০০৬ সালে ১ কোটি ২৩ লাখ ভুয়া ভোটার তালিকা তৈরি করে নির্বাচনের পাঁয়তারা করেছিল বিএনপি।’

তিনি জানান, ‘২০০১ সালে যখন বিএনপি ক্ষমতায় এলো, তখন বাংলাদেশ দুর্নীতিতে পাঁচ পাঁচবার চ্যাম্পিয়ন হলো। ১৫ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে খালেদা জিয়া ভুয়া ভোটার দিয়ে জিততে চেয়েছিলো।
এর প্রতিবাদে তখন আমরা আন্দোলন করেছিলাম। জনগণের প্রচণ্ড বিরোধিতার মুখে মাত্র দেড় মাসের মাথায় ভোট চুরির অপরাধে খালেদা জিয়া পদত্যাগ করতে বাধ্য হয়েছিল।’ বিএনপি নেতারা কী সেসব কথা ভুলে গেছেন? প্রশ্ন শেখ হাসিনার।



বঙ্গবন্ধু কন্যা বলেন, ‘একটা দল যে জনগণের জন্য কাজ করে। সেটা দেশে আওয়ামী লীগই প্রথম বারের মতো প্রমাণ করেছে। দেশের সামগ্রিক উন্নয়নে কাজ করেছে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ। পুরো রাজনীতিকেই ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে নিয়ে যাবার অপচেষ্টা করেছিল বিএনপি।’

সরকার প্রধান বলেন, ‘আমরা জনগণের জন্য কাজ করি বলেই, বার বার জনগণ আমাদের নির্বাচিত করেছে। যারা ভোটের জন্য জনগণের কাছে যেতেই পারে না। যাদের সংগঠনই তৃণমূল থেকে গড়ে ওঠেনি। তারা মানুষকে কী দেবে! মানুষ তাদের পাশে দাঁড়াবে কেনো?’

জেল হত্যা দিবসের এই সভায় আওয়ামী লীগ কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন দলের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য মতিয়া চৌধুরী, আবদুর রাজ্জাক, আব্দুল মতিন খসরু, জাহাঙ্গীর কবির নানক, যুগ্ম সম্পাদক মাহাবুব-উল আলম হানিফ, দীপু মনি, দপ্তর সম্পাদক বিপ্লব বড়ুয়া, প্রচার সম্পাদক আবদুস সোবহান গোলাপসহ কেন্দ্রীয়, মহানগর নেতাকর্মীরা।

 

Share This Post