Spread the love

কুষ্টিয়ায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ভাস্কর্য ভাঙচুরের ঘটনায় গ্রেফতার দুই ছাত্রের পাঁচ দিন ও দুই শিক্ষকের চার দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।

মঙ্গলবার বেলা সোয়া ১১টার দিকে জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিমের আদালতের বিচারক এনামুল হক এ আদেশ দেন বলে জানিয়েছেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা কুষ্টিয়া মডেল থানার পরিদর্শক নিশিকান্ত দাস।

গত সোমবার জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিমের আদালতের বিচারক রেজাউল করিমের আদালতে আসামিদের হাজির করে তাদের রিমান্ডের আবেদন করা হয়েছিল। তবে তিনি ছুটিতে থাকায় শুনানি শেষে বিচারক এনামুল হক দুই ছাত্রকে পাঁচ দিনের জন্য এবং দুই শিক্ষককে চার দিনের জন্য রিমান্ডে নেওয়ার আদেশ দেন।

ভাস্কর্য ভাঙচুরের ঘটনায় ১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইনের মামলায় গ্রেপ্তার ছাত্রদের ১০ দিন করে এবং শিক্ষকদের সাত ৭ দিন করে রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন করেছিল পুলিশ।

গ্রেপ্তাররা হলেন, কুষ্টিয়ার জুগিয়া এলাকার ইবনে মাসউদ মাদ্রাসার হেফজ বিভাগের ছাত্র এবং মিরপুর উপজেলার শিংপুর গ্রামের সমশের মৃধার ছেলে আবু বক্কর ওরফে মিঠুন (১৯), দৌলতপুর উপজেলার ফিলিফনগর গ্রামের সামছুল আলমের ছেলে সবুজ ইসলাম ওরফে নাহিদ (২০) এবং একই মাদ্রাসার শিক্ষক ও মিরপুর উপজেলার ধুবইল গ্রামের আব্দুর রহমানের ছেলে মো.আলামিন (২৭) ও পাবনা জেলার দিয়াড় বামুন্দি গ্রামের আজিজুল মণ্ডলের ছেলে মো. ইউসুফ আলী (২৭)।

উল্লেখ্য, শুক্রবার রাতে কুষ্টিয়া শহরের পাঁচ রাস্তার মোড়ে বঙ্গবন্ধুর নির্মাণাধীন ভাস্কর্য ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় কুষ্টিয়া পৌরসভার সচিব কামাল উদ্দীন কুষ্টিয়া মডেল থানায় বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলা করেন।

এদিকে কুষ্টিয়ায় জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নির্মাণাধীন ভাস্কর্য চত্বরে দুর্বৃত্তদের গুলিবর্ষণের ঘটনায় এখনো কোনো ক্লু উদ্ধার করতে পারেনি পুলিশ। ভাস্কর্য চত্বরের মাত্র ২৫/৩০ গজ দূরত্বে দায়িত্বরত পুলিশসহ জেলার আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর চোখ ফাঁকি দিয়ে ফিল্মি কায়দায় গুলিবর্ষণ ও কালো পতাকা টানিয়ে দুর্বৃত্তদের পালিয়ে যাওয়ার ঘটনায় এখনো কোনো মামলা হয়নি।

কুষ্টিয়ার পুলিশ সুপার এস এম তানভীর আরাফাত ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, এ ঘটনায় কোনো মামলা হয়নি। কেউ অভিযোগ দিলে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

Share This Post