Spread the love

মহানবী (সাঃ) এর সময়ের কুরআন- সম্প্রতি, ব্রিটেনের বার্মিংহাম ইউনিভার্সিটির লাইব্রেরীতে মহানবী হযরত মোহাম্মদ (সাঃ) এর সময়ের একটি কোরআন পাওয়া গেছে। রেডিও কার্বন পরীক্ষার মাধ্যমে কোরআনটি লেখার যে সময়কাল পাওয়া যায় তা অনুযায়ী তখন মহানবী জীবিত ছিলেন।

বর্তমানে জনসাধারণের দেখার জন্য এই কোরাআনটি উন্মুক্ত করে দেয়া হয়েছে। তবে এই কোরআনের সাথে বর্তমান কোরআনের কোন পার্থক্য নেই বলে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। মুসলমানদের প্রধান ধর্মগ্রন্থ আল কোরআন।মুসলমানদের বিশ্বাস আল্লাহর এই বার্তা যা কিনা হযরত মোহাম্মদ (সাঃ) এর মাধ্যমে পৃথিবীতে মানুষের কল্যাণে অবতরণ হয়েছে।বার্মিংহাম ইউনিভার্সিটির লাইব্রেরির মধ্যপ্রাচ্য বিষয়ে প্রাচীন গ্রন্থের সেকশনে পাওয়া গেছে মোহাম্মদ (সাঃ) এর এই কোরআন।

যেটি কিনা কয়েকশ বছরে কারও নজরে আসেনি। কোরআনটি লেখার সময় নির্ধারণ করা হয়েছে ৫৭০ থেকে ৬৪৫ খ্রিস্টাব্দের মাঝামাঝি সময়ে। হযরত মোহাম্মদ (সাঃ) মারা যান ৬৩২ খ্রিস্টাব্দে।এই তথ্য অনুযায়ী মহানবী (সাঃ) তখন বেঁচে ছিলেন। আরও ধারণা করা হয় নবী (সাঃ) এর ছয় ওহী লেখকের কারও হাতে এটি লেখা হতে পারে। কোরআনটির রেডিও কার্বন পরীক্ষা করা হয়েছে অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটিতে।

এই কোরআন খলীফা ওসমান (রাঃ) এর সময়ে ব্রিটেনে আসতে পারে বলে ধারণা করছে বিশেষজ্ঞরা। কোরআনটি লিখতে ব্যবহার করা হয়েছে উটের ঘাড়ের চামড়া, পাথরের শ্লেট, খেজুরের পাতা। ইসলামের প্রথম যুগের এই কোরআন পাওয়ায় উচ্ছ্বাস প্রকাশ লাইব্রেরীর কর্মকর্তারা।

পবিত্র এই গ্রন্থটি জনসাধারণের দেখার জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়েছে। ৫৭০ খ্রিস্টাব্দে এখানে প্রিয় নবী মুহাম্মদ (সা.) জন্মগ্রহণ করেন রাসুল (সা.)-এর পিতা আবদুল্লাহর ঘর অবস্থিত বিশ্ব মুসলমানদের হৃদয়ের তীর্থস্থান মসজিদুল হারাম থেকে সামান্য দূরেইসেটি ‘শিআবে আলী’র প্রবেশমুখে অবস্থিত। বনি হাশেম গোত্র যেখানে বাস করত সেটিই ‘শিআবে আলী’ হিসেবে তখন পরিচিত ছিল। আর বাবা আবদুল্লাহর এ ঘরেই প্রিয় নবী মুহাম্মদ (সা.) ৫৭০ খ্রিস্টাব্দে জন্মগ্রহণ করেন।

মক্কায় অবস্থানকালীন সময়ে রাসুল (সা.) এ ঘরেই বসবাস করতেন বলে জানা যায়। যদিও এ সম্পর্কে নির্ভরযোগ্য কোনো ঐতিহাসিক তথ্য বা প্রমাণ নেই। তবুও মক্কা নগরীতে এটি রাসুল (সা.)-এর জন্মস্থান হিসেবে পরিচিত। ওসমানি শাসনামলে এ বাড়িটি মসজিদ হিসেবে ব্যবহৃত হত।বর্তমানে রাসুল (সা.)-এর জন্মস্থানে একটি লাইব্রেরি স্থাপন করা হয়।

সৌদির বিখ্যাত শায়খ আব্বাস কাত্তান ১৩৭১ হিজরিতে ব্যক্তিগত সম্পদ ব্যয়ে এটি নির্মাণ করেন। মসজিদুল হারামের নতুন সম্প্রসারণ-কার্যক্রমে এই লাইব্রেরিটি অন্তর্ভুক্ত হয়ে পড়েছে। সম্প্রসারণের নতুন নকশা ও মডেল থেকে যতটুকু জানা যায়, এ স্থানে কোনো স্থাপনা তৈরি না করে খালি ও উন্মুক্ত স্থান হিসেবে রাখা হবে।

Share This Post