Spread the love

মাত্র দুবছর এগার মাসে সম্পূর্ণ কুরআন মুখস্থ করেছে তাসনিম তায়্যিবা (পুষ্প) নামে এক স্কুল শিক্ষার্থী। বগুড়ার ‘স্কুল অব দ্যা কুরআন’এর শিক্ষার্থী পুষ্প চতুর্থ শ্রেণিতে পড়ে।

প্রতিদিন অল্প সময় ব্যয় করেই পুরো কুরআন মুখস্থ করে নেয় তাসনিম। এ উপলক্ষ্যে এক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করে স্কুল অব দ্যা কুরআন কর্তৃপক্ষ।

বার্তা সংস্থা ইকনা’র রিপোর্ট: ২০১৫ সালে বগুড়া শহরে প্রতিষ্ঠিত হয় ‘স্কুল অব দ্যা হলি কুরআন’। স্কুলশিক্ষার্থীদের কুরআন, আরবি ভাষা ও জরুরি মাসয়ালা-মাসায়েল শিক্ষা দিয়ে যাচ্ছে প্রতিষ্ঠানটি।

বর্তমানে এতে প্রায় এক হাজার শিক্ষার্থী রয়েছে। মাত্র চার বছরেই স্কুলশিক্ষার পাশাপাশি ৫ জন শিক্ষার্থী হাফেজ/হাফেজা হয়েছে। গত ১৭ অক্টোবর ওরাকাতুস সাহারা নামক পঞ্চম শ্রেণি পড়ুয়া আরেক শিক্ষার্থী হাফেজা হয়েছে।

প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান মুফতি মনোয়ার হুসাইন বলেন, ‘দেশে সব আছে, শুধু চরিত্রহীনতা প্রকট হয়েছে। চরিত্রবান আল্লাহভীরু মানুষ উৎপাদন খুবই দরকার। কুরআনের দাওয়াতকে ছড়িয়ে দিন।-ডেইলি বাংলাদেশ

আরো পড়ুন-আরব আমিরাতে উদ্বোধন করা হলো বিশ্বের সর্ববৃহৎ কোরআন একাডেমি

আরব আমিরাতের শারজার শাসক শেখ সুলতান বিন মুহাম্মদ বিশ্বের সবচেয়ে বড় কোরআন একাডেমির উদ্বোধন করছেন। ৭৫ হাজার স্কয়ার মিটার বিস্তৃত একাডেমিটি ইসলামি ঐতিহ্যের ৮ কোনা তারকা আকৃতির। ৩৪টি গম্বুজ রয়েছে। এতে সাতটি বৈজ্ঞানিক ও ঐতিহাসিক জাদুঘর রয়েছে।

একাডেমিতে ১৫টি সেকশনে কোরআনের ৬০টি পাণ্ডুলিপির প্রদর্শনী করা হচ্ছে। একেক সেকশনে একেক শতকের পাণ্ডুলিপি। মোট ৩০৮ কপি পবিত্র প্রত্নতাত্ত্বিক কোরআন প্রদর্শন করা হচ্ছে।

এ ছাড়া একাডেমিতে আছে কাবা শরিফে ব্যবহৃত ২৮টি কালো গিলাপ। সবচেয়ে পুরনো গিলাপটি ৯৭০ হিজরি সনের। বৃহত্তম কোরআন একাডেমিটি কেবল জাদুঘর নয়, এতে অন্যান্য কার্যক্রম ও প্রোগ্রাম পরিচালনার ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে।

Share This Post