কানাডার শহরগুলোতে লাউডস্পিকারে আজান দেওয়া হয় না। তবে করোনা মহামির প্রাদুর্ভাবের পর রমজান মাস উপলক্ষে গত বছর থেকে এডমন্টোন, ক্যালগরি ও মিসিসাগোসহ দেশটির কয়েকটি প্রদেশের মসজিদে লাউডস্পিকারে মাগরিবের আজান দেওয়া হয়।

রমজানে প্রত্যেক নামাজের সময় লাউডস্পিকারে আজান দেওয়া হয় না। বরং পবিত্র রমজান মাসে ইফতারের সময় মাগরিবের আজান দেওয়া হয়। তাই কানাডায় ইফতারের আজান রমজান মাসের অন্যতম ঐতিহ্যে পরিণত হতে যাচ্ছে।

কানাডার মুসলিম এসোসিয়েশনের সদস্য মুনা খান জানান, তিনি তাঁর মসজিদের আজান সব সময় স্পিকারে শুনতে পান। মনে মনেও তা জপতে থাকেন তিনি। কানাডায় মসজিদে আজানের শব্দ পেয়ে তিনি অত্যন্ত আনন্দবোধ করছেন।

রমজান মাসে মুসলিমরা পারষ্পরিক সাক্ষাত ও নানা ধরনের আয়োজন করে থাকে। তবে গত বছরের মতো করোনা মহামারির কারণে এবারও কোনো ইফতার সমাগম হচ্ছে না। ইফতার আয়োজন অনুষ্ঠিত না হলেও এ সময় মসজিদগুলোতে আজান শোনা যায়।

ইসলামিক স্কুলের সদস্য মুনা খান আরো বলেন, করোনা মহামারির কারণে রমজানের কর্মসূচী বাস্তাবায়ন করা না গেলেও ইফতার সময়ের আজান মুসলিমদের মনবলকে সুদৃঢ় করতে সহায়তা করবে।

করোনাকালে লকডাউনের মধ্যে দ্বিতীয় রমজান উদযাপনের সময় সত্যিকার অর্থেই কানাডার মুসলিমদের লাউডস্পিকারে আজান শোনার প্রয়োজন ছিল বলে জানান মুসলিম এসোসিয়েশনের উপদেষ্টা ইয়াসিন চেটিন। আজানের মাধ্যমে মুসলিমদের মধ্যে সামাজিক সম্পর্ক তৈরি হয় বলে জানান তিনি।

পবিত্র রমজান মাস উপলক্ষে আলবার্টার ক্যালগরি শহরে আকরাম জুম্মা ইসলামিক সেন্টার মসজিদে একজন মুসলিম পুলিশ সদস্য আজান দেন। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভিডিওটি ভাইরাল হয়। পরবর্তীতে তা রয়েল কানাডিয়ান মাউন্টেড পুলিশ (আরসিএমপি)-এর টুইটার থেকে শেয়ার দেওয়া হয়।

সূত্র : সিবিসি

Share This Post