স’ম্প্রতি মদিনা সফরকালে সেখানে ক’র্তব্যরত নি’রাপত্তারক্ষীদের মাঝে জ’মজমের পানি বিতরণ করেন হারামাইনের প্রে’সিডেন্ট শায়েখ আবদুর রহমান আস সুদাইস। সৌ’দি আরবের হারামাইন প্রে’সিডেন্সির প্রধান প্রফেসর ড. শায়েখ আবদুর রহমান বিন আব্দুল আজিজ আস সুদাইস ম’হামারী করোনায় আ’ক্রান্তদের জন্য জ’মজমের পানি সরবরাহের নি’র্দেশ দিয়েছেন।

শায়েখ সুদাইসের ঘোষণার পর থেকে সৌ’দি আরবের বিভিন্ন হাসপাতালে করোনায় আ’ক্রান্ত রো’গীদেরকে জমজমের পানি সরবরাহ করা শুরু হয়েছে। এছাড়া ম’ক্কা ও মদিনা অ’ধিদপ্তরও তাদের নিজস্ব তত্ত্বাবধানে করোনায় আক্রান্ত রোগীদের জন্য জ’মজমের পানি বিতরণ করছেন। সামাজিক ও জাতীয় দা’য়িত্ববোধ থেকে তিনি এ প’রামর্শ দেন।

সহিহ হাদিসে ইরশাদ হয়েছে, নবী করিম সা’ল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিজে জমজম থেকে পানি পান করেছেন। সাহাবি হযরত আবু জর (রা.) ব’র্ণনা করেন, নবী করিম (সা.) বলেছেন, ‘জমজমের পানি বরকতময়, স্বাদ অ’ন্বেষণকারীর খাদ্য।’ কোনো কোনো হাদিসে জমজমের পানিকে ‘রোগীর ওষুধ’ বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

সুনানে তিরমিজির এ বর্ণনা থেকে এ কথাও জানা যায় যে, জমজমের পানি বহন করা জায়েজ। আর যারা জমজম কূপের কাছে নয়, তাদের পান করানো নবীর সুন্নত। হযরত আয়েশা (রা.) বর্ণনা করেন, হযরত রাসূলুল্লাহ (সা.) নিজের সঙ্গে পাত্রে ও মশকে করে জমজমের পানি বহন করতেন। তা অ’সুস্থদের ওপর ছিটিয়ে দিতেন এবং তাদের পান করাতেন।

জমজমের পানি পান করার সময় একটি বড় কাজ হলো- দোয়া করা। হযরত জাবির (রা.) ব’র্ণনা করেন, হযরত রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘জমজমের পানি যে উদ্দেশ্য নিয়ে পান করবে তা পূরণ হবে।’ বিখ্যাত বুজুর্গ ও ম’নীষীরা জমজমের পানি পানের সময় বিভিন্ন দোয়া করতেন।

উ’ল্লেখ্য, জমজম মক্কার মসজিদুল হারামের কাছে অ’বস্থিত একটি প্র’সিদ্ধ কূপ। পবিত্র কাবা ও এই কূপের মধ্যে দূরত্ব মাত্র ৩৮ গজের। হজ ও উমরা আদায়কারীর জন্য বি’শেষভাবে এবং পৃথিবীর সব মুসলমানের জন্য সাধারণভাবে জমজমের পানি পান করা মু’স্তাহাব।

Share This Post