চোখের চিকিৎসার জন্য দুই ছেলেকে সঙ্গে নিয়ে আজ রোববার ভোরে সিএনজিচালিত অটোরিকশায় ঢাকার উদ্দেশে রওনা দেন সাদেক মিয়া (৭৫)। কিন্তু রাস্তায় ভোর পৌনে পাঁচটার দিকে অটোরিকশায় ট্রেনের ধাক্কায় ঘটনাস্থলে তাঁর দুই ছেলে মারা যান। দুই ছেলের মৃত্যুর পাঁচ ঘণ্টা পর বাবাও মারা গেলেন। চিকিৎসাধীন অবস্থায় আজ সকাল ১০টার দিকে তিনি মারা যান।

ভোরে মারা যান সাদেক মিয়ার দুই ছেলে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার রাজঘর গ্রামের রুবেল মিয়া (৩৩) ও পাভেল মিয়া (২৩)। দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত তাঁদের বাবা সাদেক মিয়া সকালে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।গুরুতর আহত অটোরিকশার চালক সিরু মিয়াকে (৬৫) উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।

পুলিশ জানায়, আজ ভোর পৌনে পাঁচটার দিকে বাবা ও দুই ছেলে অটোরিকশায় বের হন। পথে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জের তালশহর লেভেল ক্রসিং পার হওয়ার সময় ট্রেন তাঁদের অটোরিকশাকে ধাক্কা দেয়। এতে দুই ভাই ঘটনাস্থলে নিহত হন। গুরুতর আহত হন বাবা ও অটোরিকশাচালক।

বাবাকে নিয়ে চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার পথে ট্রেনের ধাক্কা, দুই ভাই নিহত
বাবাকে নিয়ে চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার পথে ট্রেনের ধাক্কা, দুই ভাই নিহত
আশুগঞ্জ থানার উপপরিদর্শক (এসআই) ধর্মজিৎ সিংহা বলেন, আশুগঞ্জ উপজেলার তালশহর লেভেল ক্রসিংয়ে চট্টগ্রাম থেকে ছেড়ে আসা ঢাকাগামী একটি মেইল ট্রেন অটোরিকশাকে ধাক্কা দেয়। এতেই হতাহতের ঘটনা ঘটে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া রেলওয়ে স্টেশন ফাঁড়ির ইনচার্জ (এসআই) সালাউদ্দিন খান বলেন, গেটম্যান বা অটোরিকশার চালকের ভুলের জন্য এমন হয়ে থাকতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। দুই ছেলের পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় বাবাও মারা যান বলে তিনি নিশ্চিত করেন।

Share This Post